খোলা ডাক

খোলা ডাক কিশোরকণ্ঠ ডেস্ক ফেব্রুয়ারি ২০২৫

আমার প্রিয় বন্ধু

কিশোরকণ্ঠ আমার প্রিয় বন্ধু। কিশোরকণ্ঠের সাথে আমার পরিচয় ২০১৯ সালে। তখন আমি ক্লাস ওয়ানে পড়তাম। সবেমাত্র রিডিং পড়তে শিখেছি। তখন শুধু হাসির বাকসো আর কবিতা পড়তাম। ২০২১ সালে যখন ক্লাস ফোরে উঠি তখন থেকে ধারাবাহিক উপন্যাস এবং গল্পগুলো পড়তে শুরু করি। কিশোরকণ্ঠে আমার পড়া সবচাইতে বেস্ট ধারাবাহিক উপন্যাস হলো জুবায়ের হুসাইনের ‘গন্ধ পাগল’। এরপর আমার পড়া এবং ভালো লাগার উপন্যাসটি হলো খন্দকার নূর হোসাইনের ‘উদ্ধার অভিযান’। কিশোরকণ্ঠ আমার ভালো বন্ধু। কিশোরকণ্ঠ আমি তোমাকে ভালোবাসি। 

ফাইরুজ নাওয়ার রিমালা, দত্তপাড়া, লক্ষ্মীপুর


অপেক্ষার নাম

কিশোরকণ্ঠ একটি অপেক্ষার নাম। সর্বপ্রথম ২০১৯ সালের জুন মাসের কিশোরকণ্ঠ আমার এক বন্ধু আমাকে দিয়েছিল। উপন্যাস, ছড়া, গল্প, হাসির বাকসোসহ সব বিভাগ ভালো লাগে। সবচেয়ে ভালো লাগে সায়েন্স ফিকশন। ২০২৪ সালের জুলাই সংখ্যার সায়েন্স ফিকশনটি আমার সবচেয়ে ভালো লেগেছে। আমি এখন প্রতি মাসে কিশোরকণ্ঠের অপেক্ষায় থাকি। প্রথম হাতে পেয়েই একবার চোখ বুলিয়ে নিই।

আবদুল আহাদ, বুড়িরচর, হাতিয়া, নোয়াখালী


সেরা পত্রিকা

প্রিয় কিশোরকণ্ঠ! তুমি হলে আমার দেখা সেরা পত্রিকা যার জন্য আমি অপেক্ষায় থাকি। প্রতি মাসে আমার একটা খুশির দিন থাকে। দিনটি হলো কিশোরকণ্ঠ হাতে পাবার দিন। সত্যি অনেক ভালো লাগে মজার মজার ছড়া, সুন্দর সুন্দর গল্প। সবচেয়ে ভালো লাগে যে জিনিসটি তা হলো ইসলামিক গল্প।

সাফকাতুল আলম, থানার হাট, সুবর্ণচর, নোয়াখালী


প্রিয় সঙ্গী

কিশোরকণ্ঠের সাথে আমার পরিচয় ২০২৪ সালের জানুয়ারি মাসে। প্রায় প্রতিদিনই চোখে পড়তো কিশোরকণ্ঠের পোস্টার। তারপর একদিন পোস্টারের ঠিকানা অনুযায়ী চাঁদপুর কিশোরকণ্ঠ পাঠক ফোরাম অফিসে যাই। সেদিন থেকে আমি কিশোরকণ্ঠের পাঠক। আমি কিশোরকণ্ঠ খুলেই আগে পড়ি খেলার চমক, কার্টুন, কুরআনের আলো, হাদিসের আলো এবং হাসির বাকসো। আমি প্রতি মাসেই কিশোরকণ্ঠের অপেক্ষায় থাকি। মাত্র অল্প কয়েক মাসেই কিশোরকণ্ঠ হয়ে গেল আমার প্রিয় সঙ্গী। 

তামজীদ মজুমদার, চাঁদপুর সদর, চাঁদপুর


প্রিয় বন্ধু আমার

প্রতি মাসে আমি তোমার জন্য অধীর আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষা করি। তুমিই আমার শ্রেষ্ঠ বন্ধু। তুমিই তো আমার আলোর পথের দিশারি, একান্ত সময়ের উত্তম বন্ধু। যখন থেকে তোমার সাথে আমার পরিচয় হয়েছে তখন থেকেই আমি জানতে পারছি বিশ^টাকে। প্রতি মাসেই বিচিত্র সব বিষয় জানতে পারি তোমাকে পড়ে। তোমাকে হাতে পেয়ে আনন্দে ভরে ওঠে আমার মন। অনুপ্রেরণার বন্ধু আমার। তুমি পৌঁছে যাও বাংলার প্রতিটি কিশোরের কাছে।

নাজমিন জাফর নদী, সুবর্ণচর, নোয়াখালী


অপেক্ষার পত্রিকা

প্রত্যেক মাসে নতুন কিছু শিখি প্রিয় পত্রিকা কিশোরকণ্ঠের জন্য। সময়ের পরিবর্তনের সাথে সাথে নিজেকে গড়ে তুলতে চাই বিশ্ব জগতে। আর আমার সহায়ক বন্ধু হিসাবে কাজ করে আমার প্রিয় পত্রিকাটি। শুধু আমিই নয়, প্রিয় পত্রিকাটির জন্য অপেক্ষা করে আমার সহপাঠী ও বন্ধুরাও। শুভকামনা রইলো প্রিয় পত্রিকার জন্য। 

মাহমুদুল হাসান, চরক্লার্ক, সুবর্ণচর, নোয়াখালী 


প্রিয় কিশোরকণ্ঠ

আমার প্রিয় মামার কাছ থেকে তোমাকে উপহার পেয়েছিলাম। তোমাকে হাতে পেয়েই আমি দেখতে থাকি। একটা পাতা আমার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। সেই পাতায় লেখা ছিল “ কিশোরকণ্ঠ জাতীয় পাঠ প্রতিযোগিতা”। মনস্থির করি আমিও প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করবো। মে, জুন ও জুলাই মাসের পত্রিকা তিনটি সংগ্রহ করি।

প্রিয় কিশোরকণ্ঠ, তোমার সাথে আমার পথচলা ১ বছর ৪ মাস হতে চললো। অনেক কিছু শিখেছি তোমার কাছ থেকে। নতুন নতুন বিষয়ে সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করেছি। একদিন আমার কোচিং-এর পরীক্ষা ভালো হয়নি বলে মন খারাপ ছিল। ঐ দিনই পত্রিকাটি আমি প্রতি মাসের মতো সংগ্রহ করে বাসায় আসি। পত্রিকার পাতা উল্টাতে উল্টাতে হঠাৎ খেয়াল করি কুইজে আমার নাম ছাপা হয়েছে। আমি ২য় স্থান অধিকার করেছি, আলহামদুলিল্লাহ।  এটি দেখে মুহূর্তেই আমার মন ভালো হয়ে গেল। আমি দৌড়ে গিয়ে বাসার সবাইকে বললাম। সবাই অনেক খুশি হয়েছে। এভাবেই প্রতি মাসে কিশোরকণ্ঠ আমার মন ভালো করে দেয়।

প্রিয় কিশোরকণ্ঠ, তোমার সাথে পথ চলার এই অনুভূতি অনেক প্রশান্তির। কিশোরকণ্ঠের সায়েন্স ফিকশনগুলো পড়ে আমি সত্যিই বাকরুদ্ধ। এত সুন্দর, সাবলীলভাবে সায়েন্স ফিকশনও লেখা যায় তা আমার জানা ছিল না। আমার প্রিয় মামাকে অসংখ্য ধন্যবাদ আমাকে আমার জন্মদিনে কিশোরকণ্ঠ পত্রিকাটি উপহার দেওয়ার জন্য।

নাসিফা ইসলাম উর্মি, চন্দনপুরা, চট্টগ্রাম


কিশোরকণ্ঠ

কিশোরকণ্ঠের সাথে আমার প্রথম পরিচয় হয় ২০২০ সালে। যখন করোনা মহামারী ছিল। তখন বসে বসে বোরিং হয়ে সারাদিন কি করব ভেবে পেতাম না। তাই ঘরে থাকা কয়েকটা কিশোরকণ্ঠ বের করে প্রথমে পড়তাম কার্টুন পরে হাসির বাকসো। বড়ো ভাই-বোন থাকায় ঘরের মধ্যে অনেকগুলো কিশোরকণ্ঠ ছিল। সেজন্য পড়তেও অসুবিধা হয়নি। ছোটো বোনকে নিয়ে সারাদিন টেবিলে কিশোরকণ্ঠের সাথে পড়ে থাকতাম। এখন প্রতি মাসেই কিশোরকণ্ঠ না পড়লে হয় না। আল্লাহ যেন কিশোরকণ্ঠ পরিবারকে আজীবন কিশোরকণ্ঠের সাথে থেকে কাজ আঞ্জাম দেওয়ার তাওফিক দান করেন আমিন।

রাশেদা আক্তার রুমি, বড়লেখা, মৌলভীবাজার


মনের পিপাসা

কিশোরকণ্ঠ মনে হয় আমার মনের পিপাসা। আমার এক বন্ধুর কাছ থেকে কিশোরকণ্ঠ হাতে নিয়ে দেখি গোয়েন্দা উপন্যাস, সায়েন্স ফিকশনসহ নানা আয়োজনে সমৃদ্ধ। কিশোরকণ্ঠ আমার কাছে খুবই ভালো লাগে। ধন্যবাদ প্রিয় কিশোরকণ্ঠ।

নাজমুল ইসলাম, ঘোগাদহ, কুড়িগ্রাম


প্রিয় কিশোরকণ্ঠ

আমি তোমার খুব পুরোনো পাঠক নই। ২৩ সাল থেকে তোমাকে পড়ছি। অক্টোবর-নভেম্বর সংখ্যা দারুণ ছিল। এ বছর তোমার ভেতর অনেক নতুনত্ব এসেছে। সকল বিভাগের কাজ নিয়মিত হচ্ছে। তোমার প্রতি সংখ্যাই দুর্দান্ত। নভেম্বর সংখ্যাও ছিল বিশেষ সংখ্যা। বাংলাদেশের পাখি সম্পর্কে জানতে পেরেছি সংখ্যাটি পড়ে। 

তাহসিন, কোটবাড়ী, কুমিল্লা

আপনার মন্তাব্য লিখুন
অনলাইনে কিশোরকন্ঠ অর্ডার করুন
লেখকের আরও লেখা

সর্বাধিক পঠিত

আর্কাইভ

আরও পড়ুন...

CART 0

আপনার প্রোডাক্ট সমূহ