নতুনের আহ্বানে নতুন বাংলাদেশ
আমাদের কথা কিশোরকণ্ঠ ডেস্ক ডিসেম্বর ২০২৪
প্রাণপ্রিয় বন্ধুরা,আসসালামু আলাইকুম।কেমন আছো তোমরা?আশা করি সবাই ভালো এবং সুস্থ আছো।এলো ডিসেম্বর মাস। ডিসেম্বর মানেই এক আগুন ঝরা মাস।বিজয় অর্জনের মাস।তোমরা তো জানোই কত রক্ত ও ত্যাগের বিনিময়ে আমাদের এই দেশ স্বাধীন হয়েছে। আমরা বিজয় লাভ করেছি!চব্বিশের বিজয় দিবস এবার নতুন এক আবেগ এবং আমেজ গোটা দেশের জন্য বয়ে নিয়ে এসেছে। ছত্রিশে জুলাই গণঅভ্যুত্থান সেই আবেগের ও আমেজের মূল কেন্দ্রবিন্দু। ফ্যাসিস্ট সরকারকে উৎখাতের মাধ্যমে আমরা আবারও দ্বিতীয়বার বিজয় অর্জন করলাম। রক্ত-প্লাবিত এই বিজয় অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও গুরুত্বপূর্ণ।আমরা এখন একটি নিজস্ব স্বাধীন দেশে বাস করছি। স্বাধীনভাবে কথা বলতে পারছি, সকল কাজ করতে পারছি, স্বাধীনভাবে চলাফেরা করতে পারছি- এর চেয়ে আনন্দের আর কী হতে পারে!এখনও পৃথিবীর অনেক দেশ আছে, দেশের মানুষ আছে- যারা পরাধীনতার গ্লানি নিয়ে প্রতি মুহূর্ত তড়পাচ্ছে। সুতরাং এবার ভাবতে পারো যে, আমরা তাহলে কতটা সৌভাগ্যবান!তবে হ্যাঁ এ কথাও ঠিক, বিজয় যেভাবে, যে ত্যাগের মাধ্যমে অর্জন করা হয়েছে তার চেয়েও বেশি ত্যাগ ও শ্রমের বিনিময়ে আমাদের এই সোনার দেশটাকে আরও অনেক বেশি সমৃদ্ধ করতে হবে। কাজ করতে হবে এ দেশকে যথাযথ বাসযোগ্য হিসাবে গড়ে তোলার জন্য।সেই দায়িত্ব ও কর্তব্য আমাদেরই। আমরা যদি যোগ্য নাগরিক হিসাবে, যোগ্য ব্যক্তি হিসাবে গড়ে উঠতে পারি তাহলে প্রকৃত অর্থে দেশ ও জাতি গঠনে আমরা অনেক বড়ো ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবো।এসো, এই দেশ ও জাতির জন্য, মানুষের কল্যাণের জন্য, আমাদের ভালো থাকার জন্য আমরা সকলেই প্রকৃত যোগ্য হয়ে গড়ে উঠি। আমরা দেশের জন্য বিশাল সম্পদে পরিণত হই। আমাদের চেষ্টা ও শ্রমে আবার নতুনভাবে জেগে উঠুক প্রাণপ্রিয় বাংলাদেশ।এসো আমরা সমস্বরে বলি-“আমরাই গড়বো আমাদের দেশনতুনের আহ্বানে নতুন বাংলাদেশ।”সবাই ভালো থেকো, সুস্থ থেকো।আজ এ পর্যন্তই!আল্লাহ হাফিজ।
আরও পড়ুন...