সফলদের ছয় অভ্যাস
ক্যারিয়ার গাইডলাইন রবিউল রিদুয়ান সেপ্টেম্বর ২০২৪
কারণে-অকারণে আমাদের সামনে বিশ্বের বিখ্যাত ব্যক্তিদের উদাহরণ টানা হয়। কারণ তারা জীবনে সফলতা অর্জন করেছেন। কিন্তু এই সফলতা তারা একদিনে পাননি। কিংবা সফলতা তাদের কাছে পায়ে হেঁটে আসেনি। তারা পরিশ্রম করে তবেই সফল হয়েছেন। জীবনে বেশকিছু অভ্যাস নিয়মিত মেনে চলেছেন। এই অভ্যাসগুলো তাদের সফলতার অন্যতম চাবিকাঠি। এখানে তোমাদের জন্য সফল মানুষের কিছু অভ্যাসের কথা তুলে ধরা হলো। যে অভ্যাসগুলো জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে।
লক্ষ্য স্থির করা
ভবিষ্যতে তুমি নিজেকে কোন জায়গায় দেখতে চাও, সবার আগে সেটি ঠিক করতে হবে। তাহলে তুমি সেই লক্ষ্যে পৌঁছাতে সেই অনুযায়ী কাজ করতে পারবে। তাছাড়া একবার যদি একটি লক্ষ্য ঠিক করে নিতে পারো, তাহলে এটি একটি দিকনির্দেশনা হিসেবেও কাজ করবে। বিখ্যাত মার্কিন লেখক জিগ জিগলার বলেন, “তুমি লাফ দিয়ে কতটা দূরত্ব অতিক্রম করতে পারো সেটা গুরুত্বপূর্ণ নয়। গুরুত্বপূর্ণ হলো তুমি লাফিয়ে কতটা উঁচুতে উঠতে পেরেছ।”
সময়ের সঠিক ব্যবহার
সফল ব্যক্তিরা তাদের জীবনে সময়ের অপচয় করেন না। তারা সবসময় সময়কে বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন। তারা তাদের সময়কে সঠিকভাবে ব্যবহার করেছেন। কোন কাজটি আগে করতে হবে, কোন কাজটিকে প্রাধান্য দিতে হবে, সে বিষয়ে খেয়াল রাখাটা জরুরি বলে মনে করেন বিখ্যাতরা। জীবনে সময় চলমান ও নির্দিষ্ট, তাই সময়ের অপচয় যাতে না হয়, সেটি মেনেই আজ তারা সফল। সময় নিয়ে প্রয়াত মার্কিন প্রেসিডেন্ট জন এফ কেনেডি বলেছেন, “সময়কে কাজের যন্ত্র হিসেবে ব্যবহার করো, আরাম-আয়েশের জন্য নয়।”
শেখার শেষ নেই
শেখার কোনো শেষ নেই। জীবনের প্রতিটি পদে শিখতে হয়। পৃথিবীতে যারা সফল হয়েছেন তারাই বলেছেন, তারা প্রতিনিয়ত শেখেন। তারা বলেন, জ্ঞান হচ্ছে শক্তি। তাই প্রতিনিয়ত শিখতে হয়। বিভিন্ন পরিস্থিতির সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নিতে হয়। এজন্য নতুন কিছু শেখার কোনো বিকল্প নেই। ভারতীয় লেখক ও শিক্ষক সুধা মূর্তি বলেন, “জীবন একটি পরীক্ষা, যেখানে সিলেবাস অজানা, প্রশ্নপত্রও নির্ধারিত নয়, এমনকি মডেল টেস্টের কোনো সুযোগ নেই। তাই সবসময় শিখতে হয়।”
অধ্যবসায়
জীবনে সফল হতে হলে অধ্যবসায়ের কোনো বিকল্প নেই। চলার পথে অনেক বাধা-বিপত্তি আসে। নানা ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হয়। তবে সেজন্য ভেঙে পড়লে হয় না। অধ্যবসায়ের সঙ্গে সেসব বাধা মোকাবিলা করতে হয়। সফল ব্যক্তিদের জীবনের গল্প বলে, তারা কেউ খুব সহজে সাফল্য অর্জন করেননি। অনেক ঘাত-প্রতিঘাতের মধ্য দিয়ে আজকের অবস্থানে এসেছেন।
স্বাস্থ্যের প্রতি খেয়াল রাখা
জীবনে সফলতা পেতে হলে শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা খুব জরুরি। বেশির ভাগ সফল ব্যক্তি তাদের সুস্বাস্থ্যের দিকে খেয়াল রাখেন। তাদের জীবনাচরণ খেয়াল করলে দেখা যাবে, তারা নিয়মিত শরীরচর্চা, সঠিক খাদ্যাভ্যাস ও পরিমিত বিশ্রাম নিতে ভুল করেন না।
আরও পড়ুন...