দুঃসাহসী দুই কিশোর

উপন্যাস এনায়েত রসুল মে ২০২৬

(গত সংখ্যার পর)

কলির মা বললেন, তুমি খুব ভালো ছেলে বলেই ওকে সাহায্য করেছ। তোমার ভেতর যে একটা সুন্দর মন আছে, তার পরিচয় দিয়েছ। এখন দুজন একসঙ্গে বসে খাবে, তারপর যাবে। একটু বোসো। আমি আসছি। 

কলির মা উঠে দাঁড়ালেন। সে অবসরে চিন্টু দেওয়ালঘড়ির দিকে তাকাল। দেখতে পেল তিনটা প্রায় বেজে যাচ্ছে। আর এক সেকেন্ডও দেরি করা ঠিক হবে না। 

: হায় আল্লাহ! দুইটা পঁয়ত্রিশ বেজে গেছে। 

: হ্যাঁ, আড়াইটা বাজে। তাতে সমস্যা কী? যেতে যেতে ফিরে চেয়ে কলির মা জানতে চাইলেন।

চিন্টু বলল, তিনটার ট্রেনে আমার ভাই চুয়াডাঙা থেকে আসবে। আজ আর বসার উপায় নেই আন্টি। আমি আরেক দিন এসে পেট ভরে খেয়ে যাব। কথাটা বলে চিন্টু এত দ্রুত উঠে দাঁড়াল যে, কলির মা আর খাবার খেয়ে যেতে বলতে ভরসা পেলেন না। তিনি বললেন, ঠিক আছে বাবা, তাহলে যাও। তবে আবার তোমাকে আসতেই হবে। আর তোমার মাকে আমার সালাম জানাবে।

চিন্টু মাথা কাৎ করে বোঝাল যে সে সালাম পৌঁছে দেবে। তারপর কলির কাছ থেকে বিদায় নিয়ে পথে নামল।

কলিদের বাড়ি থেকে আধমাইলের মতো দূর দিয়ে চলে গেছে মেন রোড। বাড়ি থেকে বের হয়ে প্রায় দৌড়ে দৌড়ে চিন্টু বাসস্ট্যান্ডে এসে দাঁড়াল। তবে ভাগ্য সহায় ছিল, তাই দু-তিন মিনিটের মধ্যেই উলটো দিক থেকে একটা যাত্রী বোঝাই বাস এসে সেখানে থামল। সঙ্গে সঙ্গে চিন্টু সেই বাসে উঠে পড়ল। আর রড ধরে দাঁড়াতে না দাঁড়াতেই বাস চলতে শুরু করল। সম্ভবত আধাঘণ্টা চলার পর সেই বাস কমলাপুর পৌঁছে গেল। 

 

পাঁচ. 

বাসটা থেমেছিল রাস্তার পশ্চিম পাশে-স্টেশন রয়েছে পুব পাশে। বাস থেকে নেমে চিন্টু একদৌড়ে সেই স্টেশনে গিয়ে দাঁড়াল। কিন্তু সেখানে গিয়ে সে দেখতে পেল, জ্বালানি তেল বোঝাই একটা বিশাল ট্যাঙ্কার ট্রেন দাঁড়িয়ে আছে। অন্য কোনো লাইনেও কোনো প্যাসেঞ্জার ট্রেন নেই। লোকজনের ভিড়ও নেই। দু-একটা বেঞ্চের ওপর দু-একজন বসে ঢুলছে, নয়তো বাদাম খাচ্ছে। একজন শুধু পেপার পড়ছে। 

চিন্টু সন্ধানী চোখে চারদিকে তাকাল কিন্তু পিন্টুকে দেখতে পেল না। সেজন্য অবশ্য চিন্টু খুব একটা চিন্তিত হলো না। কারণ চিন্টু জানত ট্রেনগুলো সাধারণত দেরি করেই স্টেশনে আসে। আজও নিশ্চয় তেমন কিছু ঘটেছে। চিন্টু ভাবল, আসলেই ট্রেনটা এসেছে না আসতে লেট হচ্ছে, তা নির্ভুলভাবে বলতে পারবেন স্টেশন মাস্টার। তাকে জিজ্ঞেস করলে নিশ্চিন্ত হওয়া যাবে। 

খুব উৎসাহ নিয়ে চিন্টু স্টেশন মাস্টারের ঘরের সামনে গিয়ে দাঁড়াল। ভদ্রলোক ল্যান্ডফোনে কথা বলছিলেন। দরজার সামনে চিন্টুকে দেখে তিনি হাতের ইশারায় ভেতরে ডেকে নিলেন। তারপর কথা সংক্ষিপ্ত করে চিন্টুর দিকে মনোযোগ দিলেন-কিছু বলবে? 

: জি স্যার। একটা কথা জানার ছিল। 

: বলো? 

: স্যার, তিনটার সময় চুয়াডাঙা থেকে একটা ট্রেন আসার কথা। ওটার ব্যাপারে জানতে চাইছিলাম। 

স্টেশন মাস্টার খুব আস্থার সঙ্গে জিজ্ঞেস করলেন, এসেছে কি না তা জানতে চাইছ তো? আরে, আজ তো মির‌্যাকল কা- ঘটেছে-ট্রেনটা সাত মিনিট আগে ইন করেছে। 

: ইন করেছে? 

: তো বলছি কি! দুইটা তিপ্পান্নতে ইন করে তিনটা সতেরোতে আবার নেক্স্ট ডেস্টিনেশনের পথে স্টেশন ছেড়েছে। কেন বাবা, কোনো সমস্যা হয়েছে? 

: ট্রেনটাতে আমার ভাইয়ের আসার কথা ছিল। চুয়াডাঙা থেকে আসবে। কিন্তু...কথা শেষ না করে চিন্টু স্টেশন মাস্টারের অফিস থেকে বের হয়ে এলো। প্রায় জনমানবহীন প্লাটফর্মে দাঁড়িয়ে নিজেকে ভীষণ অসহায় মনে হলো ওর। চিন্টু ভাবল, আহা রে, পথে যদি কলিকে নিয়ে ঘটনাটা না ঘটত, তাহলে আমার স্টেশনে আসতে দেরি হতো না। আমার নাহয় একটু দেরি হয়েছে, সেজন্য পিন্টু স্টেশন থেকে উধাও হয়ে যাবে? ঢাকার পথঘাট জানা নেই। গেল কোথায় বেচারা? নাহ্, এভাবে হাল ছেড়ে দিলে চলবে না। আরও ভালো করে খুঁজে দেখতে হবে।


চিন্টু বিশাল স্টেশনের প্রতিটি প্লাটফর্ম, প্রতিটি বেঞ্চ, প্রতিটি পিলার আর ঘরে ঘরে উঁকিঝুঁকি মেরে তন্নতন্ন করে খুঁজে দেখল। কিন্তু কোথাও পিন্টুকে দেখতে পেল না; বরং এতক্ষণে স্টেশনটাকে ওর কাছে আরও সুনসান, আরও ফাঁকা ফাঁকা মনে হতে লাগল। 

আমি এখন কী করব? কী করা উচিত আমার-নিজেই নিজেকে প্রশ্ন করল চিন্টু। সেই প্রশ্নের জবাব ভেবে বের করার আগেই এক ভদ্রলোকের ওপর চিন্টুর চোখ পড়ল। একটা বেঞ্চে বসে তিনি জুতা পলিশ করিয়ে নিচ্ছিলেন। 

চিন্টু ধীরে ধীরে সেই ভদ্রলোকের সামনে গিয়ে দাঁড়াল। তারপর সংকুচিত কণ্ঠে বলল, আঙ্কেল! যদি কিছু মনে না করেন তাহলে একটা কথা জিজ্ঞেস করব। আপনি কি অনেকক্ষণ আগে স্টেশনে এসেছেন? 

ভদ্রলোক বিস্ময়ভরা চোখে চিন্টুর দিকে তাকালেন। তারপর উলটো চিন্টুকে জিজ্ঞেস করলেন, কেন বলো তো? 

চিন্টু বলল, আসলে আঙ্কেল, চুয়াডাঙা থেকে আমার এক কাজিন এসেছে। সে এখানকার পথঘাট চেনে না। তাই ওকে নিয়ে যাবার জন্য আমি এসেছি। 

: তো? 

: তো আঙ্কেল, স্টেশনে আসতে আমার দেরি হয়েছে। এখন ওকে কোথাও দেখতে পাচ্ছি না। আপনি কি আমার বয়সি কাউকে ট্রেন থেকে নামতে দেখেছেন-যে ট্রেনটা চুয়াডাঙা থেকে এসেছে?

এবার ভদ্রলোক হেসে ফেলে বললেন, তোমার বয়সি কাউকে ট্রেন থেকে নামতে দেখেছি কি না? দু-তিনটি ছেলেকে তো নামতে দেখেছি। কিন্তু ওদের মধ্যে কেউ তোমার কাজিন ছিল কিনা, তা তো বলতে পারব না। 

এ সময় চিন্টুর পিন্টুর ছবির কথা মনে পড়ল। মা একরকম জোর করেই ছবিটা ওর সঙ্গে দিয়েছিলেন। এখন ওটার সাহায্য নেওয়া যেতে পারে। 

চিন্টুর মন মায়ের প্রতি কৃতজ্ঞতায় ভরে গেল। চিন্টু বলল, আমার কাছে সেই কাজিনের একটা ছবি আছে। যদিও ওটা একটা গ্রুপ ছবি আর চার বছরের পুরোনো, তবুও ওটা দেখলে হয়তো বুঝতে পারবেন অমন কাউকে দেখেছেন কি না। ছবিটা দেখাব? 

ভদ্রলোক অনিচ্ছা সত্ত্বেও বললেন, দেখাবে? আচ্ছা দেখাও। 

চিন্টু বুকপকেটের ভেতর থেকে পিন্টুর ছবি বের করে ভদ্রলোকের দিকে বাড়িয়ে ধরল। তিনি ওটা হাতে নিলে চিন্টু পিন্টুর ছবিটার ওপর আঙুল রেখে বলল, এটা আমার মামাতো ভাই। ওকে দেখেছেন? 

ভদ্রলোক ছবিটার দিকে একপলক তাকিয়েই বললেন, সমস্যা কি জানো, এ বয়সের ছেলেগুলোকে আমার কাছে একই চেহারার মনে হয়। যে কজনকে দেখেছি ওদের মাঝে এ ছেলেটি ছিল কি না, ঠিক বুঝতে পারছি না। 

চিন্টু বলল, স্যরি আঙ্কেল। আপনাকে বিরক্ত করলাম। 

ভদ্রলোক চিন্টুর পিঠ চাপড়ে দিয়ে বললেন, না না, বিরক্ত করলে কোথায়! তোমাকে কোনো সাহায্য করতে পারলাম না, সেজন্য খুব খারাপ লাগছে। নাও, ছবিটা রাখো। ভদ্রলোক চিন্টুর দিকে ছবিটি বাড়িয়ে ধরলেন। কিন্তু তার হাত থেকে ওটা নেওয়ার আগেই জুতা পলিশঅলা হাত বাড়িয়ে বলল, আমারে ইট্টু দ্যাখান তো ছার। 

চিন্টু ওর হাত গুটিয়ে নিয়ে জিজ্ঞেস করল, আপনি ছবি দেখতে চাইছেন? 

: হ, দ্যাখতে চাইছি। কুনো পবলেম আছে? একটু অসন্তুষ্ট কণ্ঠে জানতে চাইল জুতা পলিশঅলা।

চিন্টু বিব্রত বোধ করল লোকটির প্রশ্ন শুনে। তবে পরক্ষণেই নিজেকে সামলে নিয়ে বলল, প্রবলেম থাকবে কেন! হঠাৎ দেখতে চাইলেন তাই জিজ্ঞেস করলাম। আঙ্কেল, চাচামিয়াটাকে দিন। 

ভদ্রলোকের হাত থেকে ছবিটা নিয়ে জুতা পলিশঅলা প্রথম উলটা করে কিছুক্ষণ দেখল, তারপর সোজা করে। ছবিটার দিকে তাকিয়ে থেকেই সে বলল, এই মাঝের পোলাটা তো? মনে তো হইতাছে পোলাটারে দেখছি। 

: দেখেছেন? 

: মনে তো হইতাছে দেখছি। তয় পবলেম হইল, এই ছবির লগে চেহারাটায় একটু উনিশ-বিশ আছে। এর কারণও আছে। এখন হেয় অনেক ডাঙর অইছে। কি মিয়া! ঠিক কাইছি না মিছা কইছি? 

চিন্টু বলল, ঠিকই বলেছেন। এটা চার বছর আগের ছবি। এখনকার চেহারার সাথে না মেলারই কথা। 

: আমিও হেই কথাটাই কইতাছি, বেশি মিলে খায় না। 

: একটা কথা বলতে পারি, আমার সেই ভাইটি দেখতেও প্রায় আমারই মতো। আপনি কি এমন কাউকে দেখেছেন-আমার মতো লম্বা, ফরসা আর সুন্দর? একটু মনে করে বলুন। 

চিন্টুর অনুরোধে মনে করে দেখায় মনোযোগ দিলো জুতা পলিশঅলা। চোখ বন্ধ করে কিছুটা সময় সে ঝিম ধরে বসে রইল। তারপর হঠাৎ চোখ খুলে বলল, হানরিড পারসিন কইতে পারমু না বাবা। তয় ফিফটি পারসিন সিউর, এই পোলটারেই আমি দেখছি। হ হ, এইটারেই দেখছি। লাল জামা আর জিংকের নীলা প্যান পিন্দনে আছিল পোলাটার। জামার মধ্যি আবার কালা কালা ফুল। জামার ছিরি দ্যাইখ্যাই আমার মিজাজটা খাট্টা হইয়া গেছিল। কও তো বাবা, ফুল আবার কালা হয়নি? হইল্দা ফুল হইলে হ্যারে মানাইতো ভালা। তুমি কি কও? 

জুতা পলিশঅলা চিন্টুর মূল্যায়ন শোনার জন্য আগ্রহ নিয়ে তাকাল। প্রায় ধৈর্যের শেষপ্রান্তে পৌঁছে যাওয়া চিন্টু নিজেকে নিয়ন্ত্রণে রেখে বলল, ফুলের ব্যাপারে আমি ভালো বুঝি না। আপনি পিন্টুর কথা বলুন, যে ছেলেটিকে দেখেছিলেন, তার কথা। 

: ওই পোলাটার নাম বুঝি পিন্টু? তয় তো হানরিড পারসিন গ্যারান্টি দিয়া কইতে পারি, এই চ্যাংড়াটারেই আমি দেখছি। হ্যার নামও পিন্টুই আছিল। 

: সিউর? আর ইউ সিউর? পিন্টুই ছিল ওর নাম! এবার বিপুল কৌতূহল নিয়ে জুতা পলিশ করতে আসা ভদ্রলোককে জিজ্ঞেস করল চিন্টু।

তার প্রশ্নের জবাবে জুতা পলিশঅলা বলল, শোনেন ছার, আপনেরে কই, আমি যেই পোলাটার কথা কইতাছি তারে আমি টেরেন থিকা নামতে দেখি নাই। আমি দেখছি এক দুঃখের ছিন। 

: দুঃখের সিন দেখেছ? ঘটেছে কি বলো তো? 

: বলতাছি। আমি দেখছি, এই পোলাটার ভাই নাকি, হেই পোলাটা মন খারাপ কইর‌্যা কান্দা কান্দা হইয়া খাড়াইয়া আছে। হ্যার ডাইন হাতে একখান বাক্স। আর বাঁও হাতখান এক জুয়ান পোলা টাইট কইরা ধইরা টানতাছে। 

: তারপর? 

: তারপর ছোট্ট পোলাটারে বড় পোলাটা টানতে টানতে নিয়া গ্যাছে। যাইতে যাইতে কইতেছিল, বুঝলি পিন্টু, আমার চক্কু ফাঁকি দিতে পারবি না। তরে ঠিকই ধরছি। এইবার চল আমার লগে। নাইলে কিলাইয়া দম বাইর কইর‌্যা ফ্যালামু। 

: এসব বলেছে? চিন্টু প্রায় আর্তনাদ করে উঠল।

তাতে জুতা পলিশঅলা একটু থতমত খেয়ে গিয়ে বলল, না, এত ত্যাড়াব্যাঁকা কইর‌্যা কয় নাই। তয় একটু কড়া কথাই কইছে। ওই যে জুয়ান ছ্যামড়ার কথা কইলাম, হালায় একটা কসাই। ভালা মানুষ না। 

চিন্টু বলল, একটা কথা বুঝতে পারছি না। ছোট ছেলেটি যদি পিন্টু হয়, তবে বড় ছেলেটি কে? 

ভদ্রলোক বললেন, চাইল্ড লিফটার হতে পারে। আমি বলতে চাইছি, ছেলেধরা-টরা টাইপের কেউ। আজকাল তো চাইল্ড ট্র্যাকিং বেড়ে গেছে। শেষমেশ কি দেখেছ? প্রশ্নটা ভদ্রলোক জুতা পলিশঅলাকে করলেন।

সে বলল, দেখলাম, ছোট্ট পোলাটারে টানতে টানতে কসাই মার্কা পোলাটা ইস্টিশন থিকা বাইর কইরা নিয়া গ্যালো। 

: কতক্ষণ আগে? 

: এই আপনের কাম ধরনের ইট্টুখানি আগে। ধরেন এখন থিকা দশ মিনিট আগে। ছোট্ট পোলাটা খুব কোস্তাকুস্তি করতাছিল। অই জন্য মনে হয় হ্যারে নিয়া বেশি দূরে যাইতে পারে নাই। 

নিজের মতামত জানিয়ে জুতা পলিশঅলা আবার ছবি দেখায় মনোযোগ দিলো। সে অবসরে ভদ্রলোক বললেন, কি যে সমস্যা! তুমি নিজেই এক ছেলেমানুষ। এ ঝামেলা সামলাবে কেমন করে! ওদিকে আমার হাতেও সময় নেই যে তোমার সঙ্গে ছোটাছুটি করব। পাঁচটার ট্রেনে চট্টগ্রাম থেকে আমার মেয়ে আসবে। ওখানকার মেডিক্যাল কলেজে পড়ে। 

চিন্টু বলল, আমার মাথায়ও কিছু আসছে না। কি করা যায় বলুন তো? 

ভদ্রলোক এক মুহূর্ত ভেবে নিয়ে বললেন, দশ মিনিট আগের ঘটনা তো, এখনো খুব বেশি দেরি হয়নি। তুমি বরং বাইরে গিয়ে আশপাশটা খুঁজে দেখো। ওদের দেখা পেয়েও যেতে পারো। 

: দোয়া করবেন আঙ্কেল, পেয়ে যেন যাই। 

কথাটা বলে চিন্টু আর দাঁড়াল না। প্রায় দৌড়ে স্টেশন থেকে বেরিয়ে এলো। পিন্টুর ছবিটা জুতা পলিশঅলার কাছেই রয়ে গেল। হ (চলবে)

আপনার মন্তাব্য লিখুন
অনলাইনে কিশোরকন্ঠ অর্ডার করুন
লেখকের আরও লেখা

সর্বাধিক পঠিত

আর্কাইভ

আরও পড়ুন...

CART 0

আপনার প্রোডাক্ট সমূহ