জীবন চলার সঙ্গী
খোলা ডাক কিশোরকণ্ঠ ডেস্ক জুন ২০২৬
জীবন চলার সঙ্গী
কিশোরকণ্ঠ কোনো পত্রিকা নয়, এটি জীবন চলার সঙ্গী। কিশোরকণ্ঠের সঙ্গে আমার চলার পথ মাত্র চার বছর। কিশোরকণ্ঠের সঙ্গে আমার পরিচয় হয় ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর মাসে। কিশোরকণ্ঠ জাতীয় পাঠ প্রতিযোগিতার আয়োজনে নিয়ম ছিল পঞ্চম শ্রেণি থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত সবাই অংশগ্রহণ করতে পারবে। কিন্তু তখন আমি চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী তাই আমি তখন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে পারিনি। আমার বড় বোন এবং বড় ভাই এ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে। তাই তখন আমার কাছে খুব খারাপ লেগেছিল। কিন্তু তখন আমি চিন্তা করলাম, আগামী বছর আমি পঞ্চম শ্রেণিতে উঠব তখন আমি সহজেই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে পারব। তাই তখন থেকে আমি প্রতি মাসে কিশোরকণ্ঠ পড়ে থাকি। প্রতি মাসে একটি পত্রিকা যখন আমিও নিই, তখন এক দিনেই সে পত্রিকাটা পড়া শেষ হয়ে যায়। তখন অপেক্ষা করি কখন পরের মাসে পত্রিকাটি আসবে। যদি কখনো পত্রিকাটি না পাই, তখন আমি চিন্তা করি আমার বন্ধু আবার হারিয়ে যায়নি তো। কিশোরকণ্ঠ তুমি আজীবন বেঁচে থাকো। তুমি আমার সবচেয়ে সেরা বন্ধু।
মুহাইমিনুল ইসলাম মুয়াজ, শাহীন একাডেমি রোড, ফেনী
প্রিয় কিশোরকণ্ঠ
তুমি ১৯৮৪ সাল থেকে পাঠকদের সাথে আছ। আমি বর্তমানে ৮ম শ্রেণিতে পড়ি। আমি আফসোস করি, কারণ তোমাকে চিনতে পেরেছি মাত্র ১০ মাস আগে যখন আমি ৭ম শ্রেণিতে পড়তাম। আমি যদি অনেক আগেই তোমার সন্ধান পেতাম তাহলে আমি ৩য় শ্রেণি থেকেই তোমাকে পড়তাম। কিন্তু আমি মাত্র ১০ মাস আগে তোমাকে চিনেছি। আমি তোমায় ১০ মাস পড়ে অনেক অজানা বিষয় জানতে পেরেছি। যেমন : বিজ্ঞানের বিস্ময়, চিত্র-বিচিত্র, ধর্মীয় নিষ্ঠা, ক্যারিয়ার-বিষয়ক জ্ঞান ইত্যাদি। তোমাকে পেয়ে আমি ধন্য কিশোরকণ্ঠ।
আবরারুর হক তাহমিদ, বাগেরহাট সদর, বাগেরহাট
সাহসী পত্রিকা
ক্লাস সিক্স কি সেভেনের কথা! তখন আমি মাদরাসায় পড়তাম। আমার বাবা না চাইতেই একটি পত্রিকা আমার জন্য নিয়ে রাখতেন এবং আমাকে প্রতি মাসে সেটি দিতেন। পত্রিকাটি অন্য কিছু নয়; সেটি ছিল প্রেরণার সাথী কিশোরকণ্ঠ। এখন আমি অনেক বড় হয়ে গেছি। পড়াশোনার সমাপ্তি ঘটিয়ে সরকারি চাকরিতে ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কর্মরত আছি। এখন আবার কিশোরকণ্ঠে ফিরতে চাওয়ার একটাই কারণ-আমার ছেলে আব্দুর রহমান আল ফাইজান। তাকেও আমি জীবনের উত্তম শিক্ষাগুলো দিতে চাই। শুরু থেকে পড়াতে চাই কিশোরকণ্ঠ নামের সাহসী পত্রিকার প্রতিটি পাতা।
হাবিবুল্লাহ খুসবু, আশুগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
কৈশোরে আমার অনুভূতি
একটি দারুণ সময় ছিল আমার কৈশোর বেলা। যেদিন তোমাকে হাতে পেয়েছি। সেদিন রাতের ঘুম ছিল আমার জন্য একেবারেই হারাম, সাথে আম্মুর বকাঝকা ছিল সম্পূর্ণ ফ্রি, পরদিন স্কুলে গেলে বন্ধুরা বুঝে ফেলত কাল আমি কিশোরকণ্ঠ হাতে পেয়েছি, অন্তত ঐ দিনটাই কেউ আমার পাশে বসতে চাইত না। কারণ তারা এ কথা ভালোভাবে জানত আজ তাদের খবর আছে। যাহোক, গ্রামে বেড়ে ওঠার কারণে আমি শহরের মানুষদের থেকে অনেকটা পিছিয়ে ছিলাম। সেই সময়ে আমি তোমার কাছ থেকে শিখেছি নতুন এক অধ্যায়। তোমার কাছ থেকে শিখেছি বেঁচে থাকার এক নতুন স্বপ্ন।
আব্দুর রহমান, ভোমরা স্থল বন্দর, সাতক্ষীরা
তোমার লেখা খোলা ডাক পাঠাও ই-মেইলে : [email protected]
আরও পড়ুন...