খোলা ডাক
খোলা ডাক কিশোরকণ্ঠ ডেস্ক জানুয়ারি ২০২৬
প্রিয় কিশোরকণ্ঠ
যখন খুব ছোট ছিলাম, ডিসেম্বর মাস ছাড়া খুব একটা লম্বা ছুটি পেতাম না কখনো। ডিসেম্বর মাসে মাদরাসা বন্ধ হলেই রাতদিন এক করে কিশোরকণ্ঠ পড়তাম। নতুন সংখ্যা তো পড়তাম, সাথে পুরোনো সংখ্যাগুলোও সংগ্রহ করে পড়তাম। কারণ নতুন কিশোরকণ্ঠ আমার কাছে কখনোই পুরোনো হতো না। কিশোরকণ্ঠ ছাড়া যেন শীতকালটা জমত না। কিশোরকণ্ঠের প্রচ্ছদ দেখলে এখনো খুব ভালো লাগে।
সায়মা আফরোজ, তুশি মুন্সি বাড়ি, জয়াগ, সোনাইমুড়ি, নোয়াখালী
আলোর পথ
কিশোরকণ্ঠ এক অনুপ্রেরণার নাম। এ পত্রিকা সবার মনে অনুপ্রেরণা জোগায়। আলোর পথ দেখায়। কিশোরকণ্ঠের প্রতিটি বিভাগ চমৎকার। কিশোরকণ্ঠ আমাকে বিপদের সময় সান্ত¡না দেয়, বুকে সাহস জোগায়। তাই আমি চাই, “হে প্রিয় কিশোরকণ্ঠ, তুমি সারা জীবন আমার পাশে থেকো।”
মুশফিকা মারিয়ম মিম, বোচাগঞ্জ, দিনাজপুর
ভালো লাগার স্মৃতি
বছর দুয়েক আগে ঘরের বইপত্তর সাজানোর সময় হঠাৎ আমার অজ্ঞাতসারে একটি ছোট পত্রিকা হস্তগত হয়। প্রথমে আকর্ষণ না পেলেও সাজানোর সময় সুন্দর প্রচ্ছদ দেখে ওপরে রেখেছিলাম। পরে একদিন অবসরে পত্রিকাটি হাতে নিই। পেইজ উলটানোর সময় একটি কমিকস দেখে সেই না খুশি হয়েছি। কমিকস বারবার পড়ার পরও এত ভালো লেগেছিল যে, তদানীন্তন চলতি মাসের সংখ্যা জোগাড় করলাম। পরে এমনি কয়েক মাস কিনলাম। হঠাৎ একদিন নিজেই নিজেকে আবিষ্কার করলাম, নিয়মিত পাঠক হিসেবে। তবে প্রথম পাওয়া সংখ্যাটার প্রচ্ছদ এখনো মনে পড়ে-বিচিত্র পাখি ফ্লেমিঙ্গো। আশা করি কিশোরকণ্ঠ আমিসহ নিয়মিত পাঠকদের মন টিকিয়ে রাখতে পারবে, ইনশাআল্লাহ।
সালমান ইবনে গোলজার, কবিরহাটম, নোয়াখালী
ফিরে আসি
আমি ২০১৭ সাল থেকে নিয়মিত কিশোরকণ্ঠ পাঠক। তখন আমার বয়স ছিল ৯ বছর। ছোটবেলা থেকেই কিশোরকণ্ঠের প্রতি ছিল প্রবল আগ্রহ। আমি আজও কিশোরকণ্ঠের নিয়মিত পাঠক। আমি বই পড়তে খুব পছন্দ করি আর এই বই পড়ার অভ্যাস তৈরি হয়েছে কিশোরকণ্ঠ পড়ে। ২০১৭ সালের কিশোরকণ্ঠগুলো আজও আমার সংগ্রহে আছে। ক্লাসের পড়াশোনার চাপে তেমন সুযোগ হচ্ছিল না কিন্তু কিশোরকণ্ঠ পড়া বন্ধ হয়নি কখনো। কিশোরকণ্ঠ এখনো আমার কাছে সেরা। কিশোরকণ্ঠ আমার প্রিয় পত্রিকা। প্রিয় কিশোরকণ্ঠ, তুমি থাকবে জেগে পাঠকদের মনজুড়ে, হাজারো বই পড়ে আমি তোমার কাছে আসি ফিরে।
সাবিকুন্নাহার সাদিয়া, চান্দলা, বি-পাড়া, কুমিল্লা
আমার প্রিয় নাম
কিশোরকণ্ঠ পত্রিকার নাম শুনলেই মনে হয়, আমি কিশোর হয়ে গেছি। আমার প্রিয় ও প্রাণের পত্রিকা। বহু মিস করি তোমায়। তোমার দেখা পেতে প্রতিমাসে চেয়ে থাকতাম বড় ভাইয়াদের দিকে। হাতে পেয়েই এক নজরে শিরোনাম পড়ে ফেলতাম। বিভিন্ন ধাঁধা ও শব্দের খেলার প্রতি সবচেয়ে বেশি ঝোঁক ছিল। আজ বড় হয়ে গেছি। তবুও তোমাকে এখনো ভালোবাসি। তোমার নাম শুনলেই আবার চেয়ে থাকি ছোট ভাইয়াদের দিকে। যদি আজও কেউ একটি করে পত্রিকা আমাকে দিত তবে আমিও পড়তাম, আমার সন্তানরাও পড়ত। তৃষ্ণায় রইলাম। তোমার জন্য দোয়া রইল। তুমি বেঁচে থাকো ছোট-বড় সবার মাঝে। ইতি, তোমার একসময়ের নিত্য সঙ্গী।
মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, পশ্চিম হারুয়া, সদর, কিশোরগঞ্জ
আরও পড়ুন...