খোলা ডাক
খোলা ডাক কিশোরকণ্ঠ ডেস্ক ডিসেম্বর ২০২৪
প্রিয় কিশোরকণ্ঠের জন্য আমার অনুভূতিপ্রিয় কিশোরকণ্ঠ। আমার প্রিয় মামার কাছ থেকে তোমাকে উপহার পাই। তোমার সাথে আমার পথচলা ১ বছর ৪ মাস হতে চললো। অনেক কিছু শিখেছি তোমার কাছ থেকে। নতুন নতুন বিষয় সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করেছি। একদিন আমার কোচিং-এর পরীক্ষা ভালো হয়নি বলে মন খারাপ ছিল। ঐ দিনই পত্রিকাটি উল্টাতে দেখি কুইজে আমার নাম ছাপা হয়েছে। আমি ২য় স্থান অধিকারী হয়েছি। এটা দেখে আমার মন ভালো হয়ে গেছিলো। প্রিয় কিশোরকণ্ঠ এভাবেই আমার মন ভালো করে দেয়। আমার প্রিয় মামাকে অসংখ্য ধন্যবাদ কিশোরকণ্ঠ পত্রিকা আমাকে উপহার দেওয়ার জন্য।নাসিফা ইসলাম উর্মি, চট্টগ্রাম সরকারি মডেল কলেজ, চট্টগ্রামপ্রাণপ্রিয় কণ্ঠসকলের প্রাণপ্রিয় কণ্ঠ কিশোরকণ্ঠ! খুব অল্প সময়ে কিশোরকণ্ঠ হয়ে ওঠে আমার পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি পড়ার সাথী। তাইতো বিগত ২১, ২২, ২৩ সালের কিশোরকণ্ঠগুলো সংগ্রহ করে করে পড়ছি। কিশোরকণ্ঠের প্রত্যেকটা বিভাগ আমার কাছে জ্ঞানের গুপ্তধন মনে হয়। আমি মনে করি, কিশোরকণ্ঠ কিশোরদের তরুণ মনে স্বপ্ন দেখায়। কিশোরকণ্ঠ সকল শিশু-কিশোরকে জ্ঞানের রাজ্যে শ্রেষ্ঠত্ব ও দেশপ্রেমিক এবং আদর্শবান নাগরিক তৈরি করার স্বপ্নে কাজ করে যাচ্ছে।মো: সারোয়ার হোসেন, জাহাজমারা, হাতিয়া, নোয়াখালীআমার স্মৃতিকিশোরকণ্ঠ নামটাই ভালোবাসা। মাস শেষ না হতেই এর জন্য অপেক্ষায় আমার দিন কাটে। কিশোরকণ্ঠের সাথে আমার সবচেয়ে সুন্দর স্মৃতি হচ্ছে জানুয়ারি ২০২৩ সংখ্যা। ওই সংখ্যাতে আমার একটা লেখা দেখেছিলাম। এইতো সেদিন, আমার কিশোরকণ্ঠের সংখ্যাগুলো গোছাতে গিয়ে ১৮ সালের একটা সংখ্যা খুঁজে পেলাম। মনে পড়ে গেল, কিশোরকণ্ঠের সাথে আমার পরিচয় হওয়ার স্মৃতি। ২০১৮ সালে প্রথম কিশোরকণ্ঠের একটা সংখ্যা আমি কিনে আনি। এরপর থেকে বিন্দু বিন্দু করে সমুদ্রের মতো এর সাথে জমা হতে থাকে আমার স্মৃতি। যে পত্রিকা আমাকে পড়তে শিখিয়েছে, ভাবতে শিখিয়েছে তা আজীবন আমার স্মৃতি হয়েই থাকুক।তাসনিম বিনতে এনায়েত, কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ, কুমিল্লানিরবচ্ছিন্ন পাঠককিশোরকণ্ঠের সাথে আমার সখ্যতার গভীরতা সমুদ্রের গভীরতার চেয়ে কোনো অংশে কম নয়। ভালোবাসার এই সম্পর্কের মাত্রা প্রতিনিয়ত গভীর থেকে গভীরতার দিকে চলছে। ২০১৮ সালের দিকে কিশোরকণ্ঠ ‘হাসির বাকসো’ বিভাগের লোগোটা চোখে পড়া মাত্রই এর প্রতি আমার আকর্ষণ কাজ করে। তখনও কিন্তু কিশোরকণ্ঠের সাথে ভালোভাবে পরিচিত হতে পারিনি, বিধায় পড়ার সুযোগ হয়নি। কালের পরিক্রমায় ২০২০ সাল থেকে কিশোরকণ্ঠকে কাছে থেকে দেখার সুযোগ হয়। তখন পরম যত্নসহকারে নতুন সংখ্যাগুলো সংগ্রহ করতাম এবং তার নতুনত্বের ঘ্রাণ শুকতাম। ঐ সময় প্রকাশিত “ডাব্বু দ্যা গ্রেট” ধারাবাহিক কিশোর উপন্যাসের কথা এখনও চোখের সামনে ভেসে ওঠে। আহা! কিশোরকণ্ঠ হাতে পাওয়ার পর কি যে আনন্দ অনুভব করতাম, তা ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়। যাইহোক, ২০২১ সাল থেকে আজ অবধি আমি কিশোরকণ্ঠের নিরবচ্ছিন্ন পাঠক। এর প্রত্যেকটা সংখ্যা থেকে কিছু না কিছু শেখার চেষ্টা করি। পড়ার পর আমার ব্যক্তিগত পাঠাগারে সংরক্ষণ করি। সুতরাং, কিশোরকণ্ঠের সাথে আমার সম্পর্ক হোক নিরবচ্ছিন্ন এবং এর সাথে পথচলা আরো বহুদূর এগিয়ে যাক এটাই আমার প্রত্যাশা।নাসরুল্লাহ লাবিব, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা
আরও পড়ুন...